ইসলামিক:প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) ঠেকাতে ফতোয়া জারি করে সরকারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো। দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোতেও দেখা যাচ্ছে একই চিত্র। ফতোয়া জারি করে সরকারগুলোকে সহযোগিতা করছে ধর্মীয় সংস্থাগুলো।
মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্তটি নেয় সৌদি আরব, মক্কায় ওমরাহ বন্ধ করে দেয়ার মধ্য দিয়ে।
করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় নানা দেশে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কিছু সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে। সামাজিক মেলামেশার ক্ষেত্রে আরোপ করা হয়েছে বিধিনিষেধ। অফিস, দোকানপাট, রেস্টুরেন্ট, ক্লাব, শপিংমল থেকে শুরু করে বড় জমায়েত হয় এমন সব কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সেই বিধিনিষেধের আওতায় পড়েছে মসজিদের জামায়াতে নামাজ আদায়। ইউরোপ-আমেরিকায় তো বটেই আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার দেশগুলোও বাদ পড়ছে না।
পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মুসলিম অধ্যুষিত দেশ ইন্দোনেশিয়া থেকে শুরু করে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারগুলো নানা ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। কোথাও কোথাও সরকার নয়, বরং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এসব বিধিনিষেধের দায়িত্ব নিয়েছে৷
আফগানিস্তান
নামাজের জন্য মসজিদে না যেতে ফতোয়া জারি করেছেন আফগানিস্তানের ধর্মীয় নেতারা, এমনটি জানিয়েছে দেশটির অন্যতম টিভি চ্যানেল টোলো নিউজ। দেশটির উলামা হাই কমিশন এই ফতোয়া জারি করেছে। কমিশন এর কারণ হিসেবে বলেছে, আফগানিস্তান নতুন করোনাভাইরাসটি থেকে পুরোপুরি মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক জমায়েত বন্ধ থাকবে।
এর আগে, দেশটির হজ ও ধর্ম মন্ত্রণালয় মসজিদে জুমা ও অন্য নামাজের জামাতে লোকজনের জমায়েত নিষিদ্ধ করে। মন্ত্রণালয় ও কমিশনের সদস্যরা সবাইকে ঘরে নামাজ পড়ার আহ্বান জানান। ধর্মীয় নেতারা বলেন, কোরআন ও হাদিসের আলোকে স্বাস্থ্যগত দিক চিন্তা করে এ সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে।
এমনকি ফতোয়ায় ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা গেলে মৃতের সৎকারেও কম মানুষের উপস্থিতিতে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়ার করার কথা বলা হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়া
সবচেয়ে বড় মুসলিম অধ্যুষিত দেশ ইন্দোনেশিয়া। সেখানে সরকার সরাসরি কোন নিষেধাজ্ঞা জারি করেনি। কিন্তু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এরইমধ্যে সেই কাজটি করছে। দেশটির সবচেয়ে বড় ইসলামি সংগঠন নাহদলাতুল উলামা করোনার বিস্তার রোধে ফতোয়া জারি করেছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম টিভি ওয়ানে সংস্থাটির র পরিচালক ড. সাইদ আকিল সিরোজ বলেছেন, ‘করোনার বিস্তার ঠেকাতে আমরা সব মুসলিমের কাছে এ আহ্বান জানাই, আপনারা জুমা ও তারাবির নামাজ এবং ঈদ উল ফিতরের সব উদযাপন ঘরে বসে করুন।
কোভিড-১৯ থেকে রক্ষা পেতে নাহদলাতুল উলামার ফতোয়া কাউন্সিল কিছু ধর্মীয় নির্দেশনা প্রকাশ করেছে। সেসব রীতিমালা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সেখানে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতদের দাফন কেমন করে করা হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত বলা রয়েছে।
ভারত
মার্চে ভারতের একেকটি রাজ্য সরকার এক এক করে করোনা মোকাবেলায় সামাজিক জমায়েতের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করতে থাকে।
দিল্লিতে বিধিনিষেধ আরোপের আগে নিজামুদ্দিন এলাকায় তাবলিগ জামাতের ধর্মীয় জমায়েত অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অংশ নেন প্রায় দুই হাজার তাবলিগ অনুসারী। এদের মধ্যে অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হন এবং মারাও যান।
দিল্লি সরকার ১৬ মার্চ প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে ৫০ জনের বেশি মানুষ জড়ো হওয়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল, যা পরবর্তীতে কমিয়ে পাঁচজনে নামিয়ে আনা হয়। মোটামুটি সারাদেশেই একসঙ্গে পাঁচজনের বেশি জমায়েত হতে পারবেন না বলে নিয়ম করে দেয়া হয়েছে। আলাদা করে না হলেও এই বিধিনিষেধ ধর্মীয় জমায়েতের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। জনগণ এই বিধিনিষেধ মানছেন কি না তা দেখতে রাস্তায় পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী রয়েছে।
পাকিস্তান
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান মসজিদে জড়ো হওয়ার সংখ্যা সীমিত করার কথা বলেছেন। দেশটির ইসলামিক আদর্শ কাউন্সিল সবাইকে বাসায় থাকার পরামর্শ দিয়েছে। ঘরেই নামাজ আদায়ের কথা বলেছে। কোন কোন প্রদেশ নিজ দায়িত্বে কড়াকড়ি আরোপ করেছে। যেমন, দক্ষিণাঞ্চলের সিন্ধ প্রদেশে গেল শুক্রবার জুমার নামাজে মানুষের আসা ঠেকাতে দুপুর বারটা থেকে তিনটা পর্যন্ত পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এ সময় রাস্তায় যে কাউকে দেখলেই গ্রেফতার করা হয়।
পাঞ্জাব প্রদেশে, যেখানে দেশটির ২২ কোটি জনগণের ৬০ ভাগের বাস, বড় শহরগুলোর মোড়ে মোড়ে চেকপয়েন্ট বসানো হয়েছে, যেন মানুষ জড়ো হতে না পারেন। তারপরও সেখানে মানুষ কথা শুনছেন না। অনেক ধর্মীয় নেতা এখনো লকডাউনের বিপক্ষে কথা বলে যাচ্ছেন। খবর'র এপি।
বাংলাদেশ
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের দ্রুত সংক্রমণ ছড়ানো রুখতে মুসল্লিদের ঘরে নামাজ পড়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সোমবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদেরও ঘরে উপাসনার নির্দেশ দেয়া হয়। শুধু মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন আর খাদেমরা মসজিদে নামাজ আদায় করবেন। বাইরের মুসল্লিরা কেউ মসজিদে জামাতে অংশ নিতে পারবেন না।
সংখ্যার হিসেবে বলা হয়েছে, জুম্মার নামাজে সর্বোচ্চ ১০ জন এবং দৈনিক পাঁচওয়াক্ত নামাজে সর্বোচ্চ পাঁচজন উপস্থিত হতে পারবেন। কেউ এই নির্দেশ অমান্য করে মসজিদে নামাজ পড়লে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ব্যবস্থা নেবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
এছাড়া অন্যান্য ধর্মের অনুসারীদেরও উপাসনালয়ে সমবেত না হয়ে নিজ নিজ বাসায় উপাসনা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে৷
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ইসলামিক ফাউন্ডেশন শবে বরাতের রাতে বাসায় বসে প্রার্থনা করার আহ্বান জানিয়েছে৷
মধ্যপ্রাচ্যে আরো আগে থেকে
ইরানে কোভিড-১৯ ভাইরাসটি ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ার পর সতর্ক হয়ে গেছে মধ্যপ্রাচ্য। তারা নানাভাবে বড় সমাবেশ বা জমায়েত বন্ধ করার উদ্যোগ নিতে শুরু করে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্তটি নেয় সৌদি আরব, মক্কায় ওমরাহ বন্ধ করে দেয়ার মধ্য দিয়ে৷ একে একে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোও উদ্যোগ নিতে শুরু করে৷
কুয়েতে আযানের মধ্যে কিছুটা পরিবর্তন এনে ঘরে বসে নামাজ আদায়ের কথা বলা হয়৷ এমন বিরল ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ঐতিহাসিক উদাহরণকে অনুসরণ করা হয়েছে বলে বলা হয়।
ইরাকের গ্র্যান্ড আয়াতোল্লাহ আলি আল-সিস্তানি এ বিষয়ে বলেন, পেশাদার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ধর্মীয় দায়িত্ব। তুরস্কের ধর্ম বিভাগের প্রেসিডেন্ট আলি এরবাস মহামারী থেকে বাঁচতে মহানবীর শিক্ষাকে অনুসরণ করার কথা বলেন।
মিশর রমজান মাসে যে কোন ধর্মীয় সমাবেশ বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। এমনকি ইফতার পার্টি বা জমায়েত করা যাবে না বলে জানিয়েছে তাদের ধর্ম মন্ত্রণালয়। সূত্র : ডয়চে ভেলে।
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) ঠেকাতে ফতোয়া জারি করে সরকারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো। দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোতেও দেখা যাচ্ছে একই চিত্র। ফতোয়া জারি করে সরকারগুলোকে সহযোগিতা করছে ধর্মীয় সংস্থাগুলো। মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্তটি নেয় সৌদি আরব, মক্কায় ওমরাহ বন্ধ করে দেয়ার মধ্য দিয়ে। করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় নানা দেশে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কিছু সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে। সামাজিক মেলামেশার ক্ষেত্রে আরোপ করা হয়েছে বিধিনিষেধ। অফিস, দোকানপাট, রেস্টুরেন্ট, ক্লাব, শপিংমল থেকে শুরু করে বড় জমায়েত হয় এমন সব কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সেই বিধিনিষেধের আওতায় পড়েছে মসজিদের জামায়াতে নামাজ আদায়। ইউরোপ-আমেরিকায় তো বটেই আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার দেশগুলোও বাদ পড়ছে না। পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মুসলিম অধ্যুষিত দেশ ইন্দোনেশিয়া থেকে শুরু করে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারগুলো নানা ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। কোথাও কোথাও সরকার নয়, বরং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এসব বিধিনিষেধের দায়িত্ব নিয়েছে৷ আফগানিস্তান নামাজের জন্য মসজিদে না যেতে ফতোয়া জারি করেছেন আফগানিস্তানের ধর্মীয় নেতারা, এমনটি জানিয়েছে দেশটির অন্যতম টিভি চ্যানেল টোলো নিউজ। দেশটির উলামা হাই কমিশন এই ফতোয়া জারি করেছে। কমিশন এর কারণ হিসেবে বলেছে, আফগানিস্তান নতুন করোনাভাইরাসটি থেকে পুরোপুরি মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক জমায়েত বন্ধ থাকবে। এর আগে, দেশটির হজ ও ধর্ম মন্ত্রণালয় মসজিদে জুমা ও অন্য নামাজের জামাতে লোকজনের জমায়েত নিষিদ্ধ করে। মন্ত্রণালয় ও কমিশনের সদস্যরা সবাইকে ঘরে নামাজ পড়ার আহ্বান জানান। ধর্মীয় নেতারা বলেন, কোরআন ও হাদিসের আলোকে স্বাস্থ্যগত দিক চিন্তা করে এ সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে। এমনকি ফতোয়ায় ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা গেলে মৃতের সৎকারেও কম মানুষের উপস্থিতিতে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়ার করার কথা বলা হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া সবচেয়ে বড় মুসলিম অধ্যুষিত দেশ ইন্দোনেশিয়া। সেখানে সরকার সরাসরি কোন নিষেধাজ্ঞা জারি করেনি। কিন্তু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এরইমধ্যে সেই কাজটি করছে। দেশটির সবচেয়ে বড় ইসলামি সংগঠন নাহদলাতুল উলামা করোনার বিস্তার রোধে ফতোয়া জারি করেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম টিভি ওয়ানে সংস্থাটির র পরিচালক ড. সাইদ আকিল সিরোজ বলেছেন, ‘করোনার বিস্তার ঠেকাতে আমরা সব মুসলিমের কাছে এ আহ্বান জানাই, আপনারা জুমা ও তারাবির নামাজ এবং ঈদ উল ফিতরের সব উদযাপন ঘরে বসে করুন। কোভিড-১৯ থেকে রক্ষা পেতে নাহদলাতুল উলামার ফতোয়া কাউন্সিল কিছু ধর্মীয় নির্দেশনা প্রকাশ করেছে। সেসব রীতিমালা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সেখানে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতদের দাফন কেমন করে করা হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত বলা রয়েছে। ভারত মার্চে ভারতের একেকটি রাজ্য সরকার এক এক করে করোনা মোকাবেলায় সামাজিক জমায়েতের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করতে থাকে। দিল্লিতে বিধিনিষেধ আরোপের আগে নিজামুদ্দিন এলাকায় তাবলিগ জামাতের ধর্মীয় জমায়েত অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অংশ নেন প্রায় দুই হাজার তাবলিগ অনুসারী। এদের মধ্যে অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হন এবং মারাও যান। দিল্লি সরকার ১৬ মার্চ প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে ৫০ জনের বেশি মানুষ জড়ো হওয়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল, যা পরবর্তীতে কমিয়ে পাঁচজনে নামিয়ে আনা হয়। মোটামুটি সারাদেশেই একসঙ্গে পাঁচজনের বেশি জমায়েত হতে পারবেন না বলে নিয়ম করে দেয়া হয়েছে। আলাদা করে না হলেও এই বিধিনিষেধ ধর্মীয় জমায়েতের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। জনগণ এই বিধিনিষেধ মানছেন কি না তা দেখতে রাস্তায় পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী রয়েছে। পাকিস্তান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান মসজিদে জড়ো হওয়ার সংখ্যা সীমিত করার কথা বলেছেন। দেশটির ইসলামিক আদর্শ কাউন্সিল সবাইকে বাসায় থাকার পরামর্শ দিয়েছে। ঘরেই নামাজ আদায়ের কথা বলেছে। কোন কোন প্রদেশ নিজ দায়িত্বে কড়াকড়ি আরোপ করেছে। যেমন, দক্ষিণাঞ্চলের সিন্ধ প্রদেশে গেল শুক্রবার জুমার নামাজে মানুষের আসা ঠেকাতে দুপুর বারটা থেকে তিনটা পর্যন্ত পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এ সময় রাস্তায় যে কাউকে দেখলেই গ্রেফতার করা হয়। পাঞ্জাব প্রদেশে, যেখানে দেশটির ২২ কোটি জনগণের ৬০ ভাগের বাস, বড় শহরগুলোর মোড়ে মোড়ে চেকপয়েন্ট বসানো হয়েছে, যেন মানুষ জড়ো হতে না পারেন। তারপরও সেখানে মানুষ কথা শুনছেন না। অনেক ধর্মীয় নেতা এখনো লকডাউনের বিপক্ষে কথা বলে যাচ্ছেন। খবর'র এপি। বাংলাদেশ বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের দ্রুত সংক্রমণ ছড়ানো রুখতে মুসল্লিদের ঘরে নামাজ পড়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সোমবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদেরও ঘরে উপাসনার নির্দেশ দেয়া হয়। শুধু মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন আর খাদেমরা মসজিদে নামাজ আদায় করবেন। বাইরের মুসল্লিরা কেউ মসজিদে জামাতে অংশ নিতে পারবেন না। সংখ্যার হিসেবে বলা হয়েছে, জুম্মার নামাজে সর্বোচ্চ ১০ জন এবং দৈনিক পাঁচওয়াক্ত নামাজে সর্বোচ্চ পাঁচজন উপস্থিত হতে পারবেন। কেউ এই নির্দেশ অমান্য করে মসজিদে নামাজ পড়লে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ব্যবস্থা নেবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এছাড়া অন্যান্য ধর্মের অনুসারীদেরও উপাসনালয়ে সমবেত না হয়ে নিজ নিজ বাসায় উপাসনা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে৷ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ইসলামিক ফাউন্ডেশন শবে বরাতের রাতে বাসায় বসে প্রার্থনা করার আহ্বান জানিয়েছে৷ মধ্যপ্রাচ্যে আরো আগে থেকে ইরানে কোভিড-১৯ ভাইরাসটি ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ার পর সতর্ক হয়ে গেছে মধ্যপ্রাচ্য। তারা নানাভাবে বড় সমাবেশ বা জমায়েত বন্ধ করার উদ্যোগ নিতে শুরু করে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্তটি নেয় সৌদি আরব, মক্কায় ওমরাহ বন্ধ করে দেয়ার মধ্য দিয়ে৷ একে একে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোও উদ্যোগ নিতে শুরু করে৷ কুয়েতে আযানের মধ্যে কিছুটা পরিবর্তন এনে ঘরে বসে নামাজ আদায়ের কথা বলা হয়৷ এমন বিরল ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ঐতিহাসিক উদাহরণকে অনুসরণ করা হয়েছে বলে বলা হয়। ইরাকের গ্র্যান্ড আয়াতোল্লাহ আলি আল-সিস্তানি এ বিষয়ে বলেন, পেশাদার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ধর্মীয় দায়িত্ব। তুরস্কের ধর্ম বিভাগের প্রেসিডেন্ট আলি এরবাস মহামারী থেকে বাঁচতে মহানবীর শিক্ষাকে অনুসরণ করার কথা বলেন। মিশর রমজান মাসে যে কোন ধর্মীয় সমাবেশ বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। এমনকি ইফতার পার্টি বা জমায়েত করা যাবে না বলে জানিয়েছে তাদের ধর্ম মন্ত্রণালয়। সূত্র : ডয়চে ভেলে
Wikipedia
Search results
Showing posts with label ইসলামিক. Show all posts
Showing posts with label ইসলামিক. Show all posts
Saturday, 11 April 2020
Thursday, 9 April 2020
শাবানের মধ্য রজনী তথা শবে বরাতের করনীয় ও বর্জনীয় আমল
ইসলামিক:শাবানের মধ্য রজনী তথা শবে বরাতের করনীয়
ও বর্জনীয় আমল সমূহঃ
পূর্ন শাবান মাস রাসূল সাঃ বেশী বেশী
রোজা রাখতেন ও নেক আমল করতেন যেহেতু এ
মাসের আমল আল্লাহর কাছে পেশ করা হয়।
তাই শুধু শাবানের মধ্য রজনী নহে বরং পূর্ণ
শাবানের সকল দিনে রোজা রাখা ও রজনীতে
বেশী বেশী নামাজ পড়া উওম।
ﺭﻭﻱ ﺃﺳﺎﻣﺔ ﺑﻦ ﺯﻳﺪ ﻗﻠﺖ ﻳﺎ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﻟﻢ ﺍﺭﻙ ﺗﺼﻮﻡ ﺷﻬﺮﺍ ﻣﻦ
ﺍﻟﺸﻬﻮﺭ ﻛﻤﺎ ﺗﺼﻮﻡ ﻓﻲ ﺷﻌﺒﺎﻥ ﻗﺎﻝ ﺫﻟﻚ ﺷﻬﺮ ﺑﻴﻦ ﺭﺟﺐ ﻭﺭﻣﻀﺎﻥ
ﻳﻐﻔﻞ ﻋﻨﻪ ﻛﺜﻴﺮ ﻣﻦ ﺍﻟﻨﺎﺱ ﻭﻫﻮ ﺷﻬﺮ ﺗﺮﻓﻊ ﻓﻴﻪ ﺍﻷﻋﻤﺎﻝ ﺍﻟﻲ ﺭﺏ
ﺍﻟﻌﺎﻟﻤﻴﻦ ﻓﺄﺣﺐ ﺃﻥ ﻳﺮﻓﻊ ﻋﻤﻠﻲ ﻭﺍﻧﺎ ﺻﺎﺋﻢ ( ﺭﻭﺍﻩ ﺍﻟﻨﺴﺎﺋﻲ ﻭﺻﺤﺤﻪ
ﺍﻷﻟﺒﺎﻧﻲ )
উসামা রাঃ থেকে বর্নিত তিনি বলেন: রাসূল
সা কে বললামঃ আপনি শাবান মাসে এত
বেশী রোজা রাখেন যা অন্য কোন মাসে এত
রোজা রাখতে দেখিনি।তখন রাসূল সা
বললেন,রজব ও রমজানের মধ্যে এ মাস সম্পর্কে
মানুষ গাফিল থাকে, এমাসে আমল আল্লাহর
কাছে পেশ করা হয় অতএব আমি চাই আমার
আমল রোজা অবস্থায় আল্লাহর কাছে পেশ
করা হোক।( নাসাঈ)
মধ্য শাবান তথা শবে বরাতের দিন যে সকল
হাদীসে খাছ ভাবে রোজা রাখার ফযিলত
বর্নীত হয়েছে
সবগুলু অত্যন্ত দুর্বল সনদে বর্নীত হয়েছে । তবে
আইয়ামুল বিজ তথা প্রতি আরবী মাসের
13,14,15 তারিখ রোজা রাখা সুন্নাহ তাই এ
নিয়্যাতে রোজা রাখা উত্তম।
যে সকল হাদীসে শাবানের মধ্যরাতে জাগ্রত
হয়ে ইবাদতের ফযিলত বর্নীত হয়েছে তা
অত্যন্ত দুর্বল সনদে বর্নীত হয়েছে তবে একটা
হাদীস কোন কোন মুহাদ্দীস হাসান বলেছেনঃ
ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﺍﻥ ﺍﻟﻠﻪ ﻟﻴﻄﻠﻊ ﻋﻠﻰ ﺧﻠﻘﻪ ﻓﻲ
ﻟﻴﻠﺔ ﺍﻟﻨﺼﻒ ﻣﻦ ﺷﻌﺒﺎﻥ ﻓﻴﻐﻔﺮ ﻟﺠﻤﻴﻊ ﺧﻠﻘﻪ ﺇﻻ ﻟﻤﺸﺮﻙ ﺃﻭ ﻣﺸﺎﺣﻦ
( ﺭﻭﺍﻩ ﺍﺑﻦ ﻣﺎﺟﻪ )
তাই শাবানের সকল রাতের মত শাবানের
মধ্যরাতে আমরা তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ব ,
তিলাওত করব তবে এ রাতকে খাছ করে নয় ।
যেহেতু আল্লাহ বছরের সকল রাতে নীচের
আকাশে এসে বলেনঃ তোমাদের কেহ আছে
কি তাওবা করবেঃ আমি তার তাওবা কবুল করব
( বোখারী)
বর্জনীয় আমল সমূহঃ
শবেবরাতের নিয়্যাতে আলাদা কোন নামাজ
নেই যার কোন দলিল নেই ।তেমনি হাজারী
নামাজ,একশত রাকাত সূরা ফাতিহা ইখলাছ
দিয়ে পড়া যা সম্পূর্ণ জাল হাদীস।
সে রাতে অগ্নী প্রজ্জ্বলিত করা,আগর বাতি
মোমবাতি জালিয়ে, আলোক সজ্জা করা,
আতশ বাজি করা, বিদাত যা বিধর্মীদের কাজ।
শবেবরাতে রাতে আলাদা কবর যিয়ারত করা
যার কোন দলিল নেই । কবর যিয়ারত কোন
নির্ধারিত টাইমে করার আলাদা কোন ফযিলত
নেই।যে কোন সময় কবর যিয়ারত করা সুন্নাহ ।
হুজু দিয়ে কোরআন খতম করানোর কোন দলিল
নেই শরিয়তে । কোরআন আপনি নিজে সহীহ
নিয়্যাতে তিলাওত করবেন তাহলে ছওয়াব
হবে, শিফা হবে,দোয়া কবুল হবে। কিন্তু শাবান
মাস উপলক্ষে বা যে কোন সময় টাকা দিয়ে
হুজুর দিয়ে কোরআন খতম করানোর কোন দলিল
নেই যা রাসূল সাঃ সাহাবাগন কোন ইমামগন
কেহ করেননি। এটা কিছু লোকের ইনকামের
একটা উপায়। একা একা নিজে সূরা ফাতিহা
থেকে নাছ পর্যন্ত পড়লে খতম হয় ।দশজন মিলে
কোরআন প্ড়লে তা খতম হয়না।
শবেবরাত উপলক্ষে অনুষ্ঠান ,সভা, সেমিনার,
মিলাদ, কিয়াম ,সমবেত যিকির ,মসজিদে
সমবেত হওয়া, হামদ নাত, মাইকিং সমপূর্ন
বিভ্রান্ত আমল যা রাসূল সা সাহাবাগন কেহ
করেননি ,যার কোন দলিল নেই ।
সে রাতে আলাদা গোসল ,হালুয়া রূটি শিন্নি
ব্ন্টন, মানুষদেরকে দাওয়াত খাওয়ানো, বিদাত
যার কোন দলিল নেই ।কিছু লোক তাদের
রোজগারের জন্য এ পন্হা আবিষ্কার করেছে।
এ রাতকে ভাগ্য রজনী মনে করা মিথ্যাচার
ছাড়া কিছু নয় ।ভাগ্য রজনী লাইলাতুল কদর যা
কোরআনে আল্লাহ বলেছেন।
সূরা দোখানের আয়াত দিয়ে এ রাতে ওয়াজ
করে এ রাতের ফযিলত বর্ণনা করা চরম
মিথ্যাচার । সকল মূফাস্সিরদের মতে সূরা
দোখান লাইলাতুল কদরের বর্ণনা করে ।
কোরআন নাযিল হয়েছে লাইলাতুল কদরে
শবেবরাতে নয়।
ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻣﻦ ﻗﺎﻝ ﻓﻲ ﺍﻟﻘﺮﺃﻥ ﺑﺮﺃﻳﻪ
ﻓﻠﻴﺘﺒﺆ ﻣﻘﻌﺪﻩ ﻣﻦ ﺍﻟﻨﺎﺭ ( ﺻﺤﻴﺢ ﺍﻟﺠﺎﻣﻊ )
রাসূল সা বলেছেন যে মনগড়া কোরআনের
তাফসির করে সে যেন জাহান্নামে ঠিকানা
বানিয়ে নেয় ।
আল্লাহ আমাদেরকে কোরআন ও সহীহ
হাদীসের আলোকে আমলের তাওফিক দান
করুন ও সকল বিদাত ও মনগড়া আমল থেকে
বেচে থাকার তাওফিক দান করুন ।
Monday, 6 April 2020
নামাজ-প্রার্থনা নিজঘরে, জুমায় সর্বোচ্চ ১০ জন
সোমবার (০৬ এপ্রিল) দুপুরে এক জরুরি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এসব নির্দেশনা জারি করে ধর্ম মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে অন্যান্য ধর্মের অনুসারীদেরও উপাসনালয়ে সমবেত না হয়ে নিজ নিজ বাসস্থানে উপাসনা করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
সারা দেশে কোনো ধরনের ওয়াজ মাহফিল, তাফসির মাহফিল, তাবলিগী তালীম বা মিলাদ মাহফিলের আয়োজন না করার নির্দেশও দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারিও করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
বিজ্ঞপ্তিতে যেসব নির্দেশনা দেয়া হয়েছে-
# মসজিদের ক্ষেত্রে খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম ব্যতীত অন্য সকল মুসল্লিকে সরকারের পক্ষ থেকে নিজ নিজ বাসস্থানে নামাজ আদায় এবং জুমার জামাতে অংশগ্রহণ এর পরিবর্তে জোহরের নামাজ আদায়ের নির্দেশ দেয়া যাচ্ছে।
# মসজিদে জামাত চালু রাখার প্রয়োজন হলে প্রতি ওয়াক্তে খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ সর্বোচ্চ পাঁচজন এবং জুমার জামাতে সর্বোচ্চ ১০ জন শরিক হতে পারবেন।
# অন্যান্য ধর্মের অনুসারীদের উপাসনালয়ের সমবেত না হয়ে নিজ নিজ বাসায় উপাসনা করার নির্দেশ দেয়া যাচ্ছে।
# সারাদেশে কোথাও এখন ওয়াজ-মাহফিল, তাফসির মাহফিল, তাবলীগ তালিম বা মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা যাবে না। সবাই ব্যক্তিগতভাবে জিকির ও দোয়ার মাধ্যমে বিপদমুক্তির প্রার্থনা করবেন।
# অন্যান্য ধর্মের অনুসারীরা এই সময়ে কোনো ধর্মীয় বা সামাজিক আচার-অনুষ্ঠানে সমবেত হতে পারবেন না।
সারা দেশে কোনো ধরনের ওয়াজ মাহফিল, তাফসির মাহফিল, তাবলিগী তালীম বা মিলাদ মাহফিলের আয়োজন না করার নির্দেশও দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারিও করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
বিজ্ঞপ্তিতে যেসব নির্দেশনা দেয়া হয়েছে-
# মসজিদের ক্ষেত্রে খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম ব্যতীত অন্য সকল মুসল্লিকে সরকারের পক্ষ থেকে নিজ নিজ বাসস্থানে নামাজ আদায় এবং জুমার জামাতে অংশগ্রহণ এর পরিবর্তে জোহরের নামাজ আদায়ের নির্দেশ দেয়া যাচ্ছে।
# মসজিদে জামাত চালু রাখার প্রয়োজন হলে প্রতি ওয়াক্তে খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ সর্বোচ্চ পাঁচজন এবং জুমার জামাতে সর্বোচ্চ ১০ জন শরিক হতে পারবেন।
# অন্যান্য ধর্মের অনুসারীদের উপাসনালয়ের সমবেত না হয়ে নিজ নিজ বাসায় উপাসনা করার নির্দেশ দেয়া যাচ্ছে।
# সারাদেশে কোথাও এখন ওয়াজ-মাহফিল, তাফসির মাহফিল, তাবলীগ তালিম বা মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা যাবে না। সবাই ব্যক্তিগতভাবে জিকির ও দোয়ার মাধ্যমে বিপদমুক্তির প্রার্থনা করবেন।
# অন্যান্য ধর্মের অনুসারীরা এই সময়ে কোনো ধর্মীয় বা সামাজিক আচার-অনুষ্ঠানে সমবেত হতে পারবেন না।
Monday, 2 March 2020
"দিল্লিতে মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে গাছবাড়ী ছাত্র সমাজের বিক্ষোভ মিছিল,,
ইসলামিক :
ভারতের দিল্লিতে মুসলিমদের ওপর নির্যাতনসহ মসজিদ-মাদ্রাসায় আগুন দেয়ার প্রতিবাদে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল করে সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ী ছাত্র সমাজ।রবিবার (১ মার্চ) গাছবাড়ী ডিগ্রী কলেজ গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে গাছবাড়ী মর্ডান একাডেমী স্কুল গেট থেকে শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়ক প্রদিক্ষণ করে।এ সময় দিল্লির আক্রান্ত মুসলিমদের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন গাছবাড়ী ছাত্র সমাজ।বিক্ষোভ মিছিল শেষ করে এক সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
ভারতের দিল্লিতে মুসলিমদের ওপর নির্যাতনসহ মসজিদ-মাদ্রাসায় আগুন দেয়ার প্রতিবাদে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল করে সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ী ছাত্র সমাজ।রবিবার (১ মার্চ) গাছবাড়ী ডিগ্রী কলেজ গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে গাছবাড়ী মর্ডান একাডেমী স্কুল গেট থেকে শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়ক প্রদিক্ষণ করে।এ সময় দিল্লির আক্রান্ত মুসলিমদের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন গাছবাড়ী ছাত্র সমাজ।বিক্ষোভ মিছিল শেষ করে এক সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
উক্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘ভারতকে মুসলমানরাই স্বাধীন করেছে। আর এখন সেই মুসলমানদের সাথে মোদি সরকার নিপীড়নমূলক আচরণ করছে।ভারতের সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর মোদি সরকার নির্যাতন চালাচ্ছে অভিযোগ করে তারা মুজিব বর্ষের অনুষ্ঠানে নরেদ্র মোদিকে বাংলাদেশে ঢুকতে দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন।সমাবেশে অনতিবিলম্বে মুসলমানদের ওপর নির্যাতন বন্ধের দাবি জানানো হয়।
Tuesday, 31 December 2019
তিনচটি নয়াগ্রম দারুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসায় আসবেন মাওঃ মাহমুদুল হাসান
আগামী ১৮ জানুয়ারি রোজ শনিবার তিনচটি নয়াগ্রাম দারুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসায় আসবেন আন্তজার্তিক খ্যাতি সম্পন্ন মুফাসিরে কোরআন, চ্যানেল ২৪ এর উপস্হাপক মাওঃ মাহমুদুল হাসান।
আগামী ১৮জানুয়ারি রোজ শনিবার তিনচটি নয়াগ্রাম দারুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল ২০২০।
Subscribe to:
Posts (Atom)





